ও দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ ২০২৬
যে অক্ষর দিয়ে নাম দেখতে চান সেটাই ক্লিক করুন
নিচে আপনাদের জন্য খুব সুন্দরভাবে ও দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নামের তালিকা অর্থসহ (২০২৬) শেয়ার করা হলোঃ
| # | নাম | অর্থ |
|---|---|---|
| 51 | ওয়াজিহা আয়েশা | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, manifiesta। আয়েশা নামের অর্থ জীবন, সচ্ছলতা, রাসূলের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ)। |
| 52 | ওয়ালিহা জান্নাত | জান্নাতের রক্ষক বা জান্নাতের তত্ত্বাবধায়ক |
| 53 | ওয়াজিহা হাসান | ওয়াজিহা নামের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। হাসান নামের অর্থ সুন্দর, কল্যাণকর, উত্তম। |
| 54 | ওয়াজিহা জারিন | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। জারিন শব্দের অর্থ সোনালী বা স্বর্ণের মতো। সুতরাং, ওয়াজিহা জারিন নামের অর্থ দাঁড়ায় উজ্জ্বল স্বর্ণের মতো বা দীপ্তিমান সোনালী। |
| 55 | ওয়াজিহা সাদিয়া | ওয়াজিহা মানে স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিময় এবং সাদিয়া মানে সত্যবাদী, বিশ্বাসযোগ্য, সৌভাগ্যবতী। |
| 56 | ওয়াজিহা বিনতে | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। বিনতে শব্দের অর্থ কন্যা। সুতরাং, ওয়াজিহা বিনতে নামের অর্থ দাঁড়ায় 'উজ্জ্বল কন্যা' বা 'দীপ্তিমান মেয়ে'। |
| 57 | ওয়াসিয়া আক্তার | ওয়াসিয়া শব্দের অর্থ হলো ওসিয়ত করা,囑 entrust করা, দায়িত্ব দেওয়া। আক্তার শব্দের অর্থ তারকা, উজ্জ্বল। সুতরাং, ওয়াসিয়া আক্তার নামের অর্থ দাঁড়ায় দায়িত্বশীল ও উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। |
| 58 | ওয়াজিহা সামিয়া | ওয়াজিহা নামের অর্থ হলো স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। সামিয়া নামের অর্থ হলো উঁচু, মহান, সম্মানিত। |
| 59 | ওয়াজিহা মিম | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। মিম একটি আরবি অক্ষর এবং এর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই, তবে এটি নামের সাথে একটি ছন্দ তৈরি করে। |
| 60 | ওয়াজিহা লতিফ | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। লতিফ শব্দের অর্থ কোমল, নম্র, মার্জিত, দয়ালু। |
| 61 | ওয়াজিহা খাতুন | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। খাতুন একটি সম্মানসূচক উপাধি, যা সাধারণত নারীদের নামের শেষে ব্যবহৃত হয় এবং এটি রাজকীয় বা উচ্চ বংশীয় পরিচয় বহন করে। |
| 62 | ওয়াজিহা ফেরদৌস | ওয়াজিহা মানে স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। ফেরদৌস মানে সর্বোচ্চ জান্নাত, বাগান। |
| 63 | ওয়াজিহা শাহনাজ | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। শাহনাজ শব্দের অর্থ রাজকুমারী, বাদশাহের রানি। সুতরাং, ওয়াজিহা শাহনাজ নামের অর্থ হয় ‘উজ্জ্বল রাজকুমারী’ বা ‘দীপ্তিমান রানি’। |
| 64 | ওয়াকিলা আক্তার | ওয়াকিলা শব্দের অর্থ হলো প্রতিনিধি, নিযুক্ত ব্যক্তি, ক্ষমতা অর্পিত ব্যক্তি। আক্তার শব্দের অর্থ তারকা, উজ্জ্বল। সুতরাং, ওয়াকিলা আক্তার নামের অর্থ দাঁড়ায় 'প্রতিনিধি তারকা' বা 'ক্ষমতা অর্পিত উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব'। |
| 65 | ওনামিকা | ওনামিকা নামের সরাসরি কোনো অর্থ খুঁজে পাওয়া যায় না। এটি সম্ভবত আধুনিক একটি নাম যা বিভিন্ন শব্দের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। 'ওনাম' শব্দটি কোনো বিশেষ অর্থ বহন করে না, তবে 'িকা' প্রত্যয়টি সাধারণত 'ছোট' বা 'তরুণী' অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। |
| 66 | ওয়ালিহা বুশরা | ওয়ালিহা নামের অর্থ হলো বান্ধবী, সহযোগী বা সাহায্যকারী। বুশরা নামের অর্থ হলো সুসংবাদ, আনন্দ বা শুভ বার্তা। সুতরাং, ওয়ালিহা বুশরা নামের অর্থ দাঁড়ায় 'আনন্দময়ী বান্ধবী' বা 'সুসংবাদ বহনকারী সহযোগী'। |
| 67 | ওয়াজিহা ইসলাম | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, পরিষ্কার। ইসলাম শব্দের অর্থ শান্তি, নিরাপত্তা ও আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। সুতরাং, ওয়াজিহা ইসলাম নামের অর্থ দাঁড়ায় ‘স্পষ্ট শান্তির পথ’ অথবা ‘উজ্জ্বল ইসলামের অনুসারী’। |
| 68 | ওমাইরা | আলো, উজ্জ্বলতা, দীপ্তি |
| 69 | ওমাইরা খাতুন | ওমাইরা নামের অর্থ হলো 'দীপ্তি', 'উজ্জ্বলতা'। খাতুন একটি সম্মানসূচক উপাধি, যা সাধারণত নারীদের নামের শেষে ব্যবহৃত হয় এবং এটি 'মহিলা' বা 'বিবি' অর্থে ব্যবহৃত হয়। |
| 70 | ওয়ালিহা ফারিহা | ওয়ালিহা নামের অর্থ হলো অভিভাবক, বন্ধু, সহযোগী। ফারিহা নামের অর্থ হলো আনন্দিত, সুখী, উৎফুল্ল। সুতরাং, ওয়ালিহা ফারিহা নামের অর্থ দাঁড়ায় আনন্দিত অভিভাবক বা সুখী সহযোগী। |
| 71 | ওয়ালিসা | ওয়ালিসা নামের সরাসরি কোনো সুপরিচিত বাংলা অর্থ নেই। তবে, 'ওয়ালী' শব্দের সাথে সম্পর্কিত করে এর অর্থ 'অভিভাবক', 'বন্ধু' বা 'আশ্রয়' হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। 'সা' অক্ষরটি সাধারণত সৌন্দর্য বা গুণবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়। |
| 72 | ওয়াজিহা | স্পষ্ট, উজ্জ্বল, আলোকিত, সুন্দর |
| 73 | ওয়াজিহা তাবাসসুম | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। তাবাসসুম শব্দের অর্থ হাসি, আনন্দ, সুখ। সুতরাং, ওয়াজিহা তাবাসসুম নামের অর্থ দাঁড়ায় উজ্জ্বল হাসি বা আনন্দপূর্ণ দীপ্তি। |
| 74 | ওয়াজিহা হাফসা | ওয়াজিহা নামের অর্থ হলো স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। হাফসা নামের অর্থ হলো যুবতী সিংহী, সম্মানিত, মর্যাদা সম্পন্ন। |
| 75 | ওয়ালীমা | ওয়ালীমা শব্দের অর্থ হলো বর-কনের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। এটি একটি আরবি শব্দ থেকে এসেছে। |
| 76 | ওয়ামিতা | ওয়ামিতা নামের সরাসরি কোনো সুপরিচিত অর্থ নেই। এটি সম্ভবত 'ওয়ামী' (Wami) থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ 'সুরক্ষা' বা 'আশ্রয়'। 'তা' অক্ষরটি নামের শেষে যুক্ত হয়ে মাধুর্য এনেছে। |
| 77 | ওয়াসীয়া | উত্তরাধিকার, উইল, শেষ ইচ্ছা, পরামর্শ |
| 78 | ওয়ালিহা তাসফিয়া | ওয়ালিহা নামের অর্থ হলো বান্ধবী, সহযোগী বা রক্ষাকারী। তাসফিয়া নামের অর্থ হলো পরিশুদ্ধতা, নির্মলতা, বিশুদ্ধতা। |
| 79 | ওয়াজিহা নাজরিন | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। নাজরিন শব্দের অর্থ হলো সুন্দর চোখ বা চোখের মণি। |
| 80 | ওয়াজিহা জারা | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। জারা শব্দের অর্থ রাজকুমারী, সৌন্দর্য, কমনীয়তা। |
| 81 | ওয়াজিহা চৌধুরী | ওয়াজিহা নামের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। চৌধুরী একটি বংশ পদবি, যা সাধারণত সম্মান ও মর্যাদার সাথে যুক্ত। |
| 82 | ওয়াজিহা নুহা | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। নুহা শব্দের অর্থ বুদ্ধিমতী, বিচক্ষণ। সুতরাং, ওয়াজিহা নুহা নামের অর্থ দাঁড়ায় ‘উজ্জ্বল বুদ্ধিমতী’ বা ‘দীপ্তিমান বিচক্ষণ’। |
| 83 | ওয়াজিহা তানহা | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। তানহা শব্দের অর্থ একা, নিঃসঙ্গ। তবে, এই নামের অর্থ সাধারণত 'উজ্জ্বল ও একা' বা 'দীপ্তিমান নিঃসঙ্গ' হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। তানহা সাধারণত বিরহের ভাব প্রকাশ করে। |
| 84 | ওয়াজিহা খান | ওয়াজিহা নামের অর্থ হলো স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। খান একটি বংশ পদবি, যা সাধারণত সম্মান ও আভিজাত্য বোঝায়। |
| 85 | ওয়াজিহা মায়িশা | ওয়াজিহা শব্দের অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। মায়িশা শব্দের অর্থ জীবন, বেঁচে থাকা, প্রাণবন্ত। সুতরাং, ওয়াজিহা মায়িশা নামের অর্থ দাঁড়ায় উজ্জ্বল জীবন বা প্রাণবন্ত দীপ্তি। |
| 86 | ওয়ালিহা জারিন | ওয়ালিহা শব্দের অর্থ হলো প্রেমিকা, বান্ধবী বা সহযোগী। জারিন শব্দের অর্থ সোনালী বা উজ্জ্বল। সুতরাং, ওয়ালিহা জারিন নামের অর্থ দাঁড়ায় 'উজ্জ্বল প্রেমিকা' বা 'সোনালী বান্ধবী'। |
| 87 | ওয়ালিহা আয়েশা | ওয়ালিহা নামের অর্থ হলো অনুরাগী, প্রেমিকা, বন্ধু। আয়েশা নামের অর্থ হলো জীবন, সচ্ছলতা, স্ত্রী নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর নাম। |
| 88 | ওয়ালিয়া নুসরাত | ওয়ালিয়া নামের অর্থ হলো 'সাধ্বী', 'পবিত্র'। নুসরাত নামের অর্থ হলো 'সাহায্য', 'বিজয়', 'আলো'। |
| 89 | ওয়াকিলা ইসলাম | ওয়াকিলা শব্দের অর্থ হলো প্রতিনিধি, নিযুক্ত ব্যক্তি, ক্ষমতা অর্পিত ব্যক্তি। ইসলাম শব্দের অর্থ হলো শান্তি, নিরাপত্তা, আনুগত্য। সুতরাং, ওয়াকিলা ইসলাম নামের অর্থ দাঁড়ায় ইসলামের প্রতিনিধি বা ইসলামের পথে নিযুক্ত ব্যক্তি। |
| 90 | ওয়াদুদীয়া | ভালোবাসাপূর্ণ, প্রেমময়ী, স্নেহশীল |
| 91 | ওয়ালিদা বানু | ওয়ালিদা মানে জন্ম দেওয়া, নবজাতিকা, এবং বানু শব্দের অর্থ হলো কন্যা বা মহিলা। সুতরাং, ওয়ালিদা বানু অর্থ দাঁড়ায় জন্ম দেওয়া কন্যা বা নবজাতিকা কন্যা। |
| 92 | ওয়ালীনা | ওয়ালীনা নামের সরাসরি কোনো সুপরিচিত বাংলা অর্থ নেই। এটি সম্ভবত 'ওয়ালী' শব্দের সাথে সম্পর্কিত, যার অর্থ বন্ধু, অভিভাবক বা সাহায্যকারী। 'না' একটি অনুসর্গ যা নামের শেষে যুক্ত হয়ে একটি বিশেষত্ব যোগ করে। |
| 93 | ওয়ালিয়া রাইসা | ওয়ালিয়া নামের অর্থ হলো 'সাধ্বী', 'পবিত্র', অথবা 'আল্লাহর পথে চালিত'। রাইসা নামের অর্থ হলো 'নেত্রী', 'প্রধান', অথবা 'উচ্চপদস্থ মহিলা' । |
| 94 | ওয়াসিলাতুল জান্নাত | জান্নাতের উপায় |
| 95 | ওয়ারদা আতিকা | ওয়ারদা মানে গোলাপ এবং আতিকা মানে প্রাচীন, পুরনো দিনের। সুতরাং, ওয়ারদা আতিকা নামের অর্থ দাঁড়ায় প্রাচীন গোলাপ বা পুরনো দিনের গোলাপ। |
| 96 | ওয়ালিয়া জারিন | ওয়ালিয়া নামের অর্থ হলো 'সাধ্বী', 'পবিত্র', অথবা 'আল্লাহর বন্ধু'। জারিন শব্দের অর্থ হলো 'সোনা', 'গোল্ডেন' বা 'উজ্জ্বল'। সুতরাং, ওয়ালিয়া জারিন নামের অর্থ দাঁড়ায় 'পবিত্র সোনা' বা 'আল্লাহর বন্ধুর মতো উজ্জ্বল'। |
| 97 | ওয়ামিকা | আলো, উজ্জ্বলতা, বিদ্যুতের চমক |
| 98 | ওয়ালিফা | ওয়ালিফা নামের সরাসরি কোনো সুপরিচিত বাংলা অর্থ নেই। এটি সম্ভবত আরবি থেকে এসেছে এবং এর অর্থ 'অভিভাবক', 'সাহায্যকারী' বা 'অনুসারী' এর সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। |
| 99 | ওয়ালিয়া জেরিন | ওয়ালিয়া নামটি সাধারণত 'আশ্রয়', 'সুরক্ষা' বা 'অভিভাবক' অর্থে ব্যবহৃত হয়। জেরিন নামের অর্থ 'স্বর্ণা', 'সোনালী' বা 'উজ্জ্বল'। সম্মিলিতভাবে ওয়ালিয়া জেরিন একটি সুন্দর ও অর্থবহ নাম যা সুরক্ষা ও উজ্জ্বলতার প্রতীক। |
| 100 | ওয়ালিহা তাসনিম | ওয়ালিহা নামের অর্থ হলো বান্ধবী, সহযোগী বা রক্ষাকারী। তাসনিম নামের অর্থ হলো জান্নাতের একটি নদী, যা বরফ-ঠান্ডা এবং অত্যন্ত সুস্বাদু। |